Home প্রবন্ধ ‘বাংলাদেশ’ অনন্য অসাধারন রুপবৈচিত্রের আরেক নাম

‘বাংলাদেশ’ অনন্য অসাধারন রুপবৈচিত্রের আরেক নাম

138
0
সুজলা-সুফলা, শস্য-শ্যমলা আমাদের এই বাংলাদেশ। প্রকৃতির এক অপার লীলাক্ষেত্র। এমন দেশ পৃথিবীর কোথায় খুজে পাওয়া যাবে না। এদেশের কোথাও সমতল তো কোথাও আবার পাহাড় বা আবার কোথাও সাগর, নদী -নালা। প্রকৃতি যে কী আশ্চর্য সুন্দর, কী নয়নাভিরাম তার রুপশোভা আমরা বাংলার প্রত্যেকটি ঋতুকে তীক্ষ্ণ দৃষ্টিতে অবলোকন না করলর অনুভব করা যায় না। বাংলার পথে প্রান্তরে রয়েছে রুপের রুপভেদ রকম ফের যা পৃথিবীতে বিরল।
বাংলাদেশকে প্রকৃতির সুরম্য লীলাক্ষেত্র বললে মোটেই অত্যুক্তি হয় না। এদেশের অনুপম প্রাকৃতিক সৌন্দর্য চিরকাল ধরে মুগ্ধ কবিচিত্তে কাব্য স্রোত বইয়ে দিয়েছে- ভাবুকের হৃদয়ে অনির্বচনীয় ঢেউ জাগিয়েছে।
বাংলাদেশের এই যে এত সৌন্দর্য এর পেছনে কাজ করছে অনুকূর জলবায়ু। কর্কট ক্রান্তা রেখা এ দেশের উপর দিয়ে গেলেও সাগরের কাছাকাছি থাকায় এবং মৌসুমী বায়ু তার উপর দিয়ে প্রবাহীত হওয়ার ফলে প্রচুর বৃষ্টিপাতের কারনে এখানে শীত বা গ্রীষ্ম কোনটিই এত তীব্র অনুভূত হয় না। ষড়ঋতুর পরিক্রমায় এখানে প্রতি ২ মাস অন্তর ঋতুর পরিবর্তন হয় এবং একেক ঋতুর এক এক বৈশিষ্ট্য আমাদের দৃষ্টিগোচর হয়।
বাংলাদেশ গ্রাম প্রধান দেশ। প্রত্যেকটি গ্রাম যেন প্রকৃতির এক অপূর্ব রঙ্গশালা। যে দিকেই চোখ যায় সেদিকেই অবারিত সবুজ মাঠ আর শ্যামল শস্যখেত।
কোথাও প্রকৃতির সবুজ ঘোমটা ভেদ করে পাকা শস্যের সোনালী সুন্দর মুখখানা বের হয়ে আসছে, কোথাও বিশালদেহ বটবৃক্ষ প্রান্তরের একস্থানে দাড়িঁয়ে সুশীতল ছায়া দিয়ে পথিকের ক্লান্তি দূর করছে, আবার কোথাও বা তালগাছ একপায়ে দাড়িঁয়ে আকাশের নীলিমা ছোয়ার চেষ্টা করছে।
বাংলার রুপবৈচিত্র সবার মন সত্যি আনন্দে ভরিয়ে দেয়।
তাই কবির সাথে সুর মিলিয়ে, “এমন দেশটি কোথাও খুজে পাবে নাকো তুমি,
সকল দেশের রাণী সে যে আমার জন্মভূমি “।
লেখক- মোঃ তানভীর হোসেন সরকার
ডিপার্টমেন্ট অব টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং,
ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড রিসার্চ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here