Home প্রজন্ম প্রাক্তন সমাচার এবং বিয়ে || মীরা

প্রাক্তন সমাচার এবং বিয়ে || মীরা

158
0

প্রতিটা ছেলের শিক্ষা নেওয়া উচিৎ। বিয়ের আগে অবশ্যই জেনে নেওয়া উচিৎ মেয়ের কোনো এক্স আছে কিনা।থাকলে তার সাথে কথা বলা উচিৎ জেনে নেওয়া উচিৎ তার কোনো ক্ষোভ আছে কিনা।রিফাত হত্যায় আমরা খুব ভালোই দেখলাম নয়ন রিফাত কেই মারলো।কথা হচ্ছে ভালোবেসেছিলে মিন্নিকে। চিট করলে করেছে মিন্নি।তাহলে শাস্তি যদি দেবেই মিন্নিকে কেনো না দিয়ে রিফাত কে দিলে?একটা দিক দেখা গেলো। মেয়ে অনেক হইচই করলো কিন্তু কেউ মেয়ের গায়ে একটা টোকাও দিলো না।এইটুকু একটা মেয়ে রামদায়ের সামনে লড়াই করলো অবশ্যই আমি তাকে সমর্থন করবো সাথে আবার এটাও দেখার ছিলো একটা কলেজ পড়ুয়া মেয়ে আসলেই কি এতটা সাহস রাখে। আর সন্ত্রাসী গুলো মেয়েটাকে কিছুই বল্ল না মেয়ের উপর কি কোনো রাগই ছিলো না? নয়নের জায়গায় আমি থাকলে মেয়েকেইও দুই একটা দিতাম। যাইহোক বিষয়টি একটু গরমিলে আমার কাছে লেগেছে।
এবার আসুন মেয়েটির আজকের দেওয়া বয়ান যেটা ইতিমধ্যে ভাইরাল হয়ে গেছে।সেখানে মেয়েটি বলছে নয়ন নামের ছেলেটি তাকে বিয়ের আগে বিরক্ত করতো তাকে ফোর্স করতো তার রিকশায় উঠে পরতো ছবি তুলতে বাধ্য করতো না হলে মেরে ফেলার হুমকি দিতো।কিন্তু আমরা ইতমধ্যে যে পিকচার আর স্ক্রিনশট দেখেছি সেখানে ব্যাতিক্রম ই মনে হয়েছে।যে মেয়েকে মারার হুমকি দিতো তাকে সামনে পেয়েও নয়ন তাকে একটু আঘাত ও করলো না।
ভালোবাসা মানুষকে শেষ করে দেয়।এমন ভালোবাসা দরকার নেই।আজ ৩টা পরিবারে হতাশা বিরাজ করছে এক রিফাত দুই মিন্নি তিন নয়ন।আর নয়নের সাথে যারা ছিলো তাদের পরিবার ও কি একটা অবস্থানে আছে তা আন্দাজ করা যায়।
মিন্নি আপুএ যদি নয়নকে নিয়ে অভিযোগ সত্যি থেকে থাকে সে প্রথমেই তার পরিবারকে বলে দিতে পারতো।সে সেটা করেনি।ধরে নিলাম সে ভয়ে সম্পর্কে জড়িয়েছে।একটা প্রতিবেদনে দেখলাম নয়ন আর মিন্নির মধ্যে গভীর সম্পর্ক ছিলো।যা রিফাত এবং মিন্নির বন্ধুরা জানিয়েছে। এর মধ্যে আমরাও দেখেছি নয়ন মিন্নিকে নিয়ে তাদের বন্ধুদের বিভিন্ন ধরনের পোষ্ট, ছবি।
মানুষ যখন অমানুষে পরিনত হয় তখনই সে খুন,ধর্ষণ এর মতো জঘন্য কাজে লিপ্ত হয়ে পরে।এরা তখন আর মানুষ থাকেনা হিংস্র হয়ে ওঠে সমাজের জন্য ক্ষতিকর হয়ে যায়।কিন্তু এই মানুষগুলো জন্মথেকে এরকম হয়না।বা তাদের পরিবার ও তাদেরকে এই শিক্ষা দেয়না।
বর্তমান সমাজে প্রেম ভালোবাসার নামে শারীরিক সম্পর্ক যে পরিমাণে বাড়ছে।মানুষ যে পরিমাণে একজন অন্যজন থেকে প্রতারিত হচ্ছে সেক্ষেত্রে এরকম অবস্থা আমরা আগেও দেখেছে।কেউ সন্তানের পরিচয় না দেওয়ার জন্য নবাগত সন্তাকে ফেলে রেখে যাচ্ছে।কেউ অবৈধ্য শারীরিক সম্পর্কের ফলে অন্তঃসত্ত্বা প্রেমিকাকে হত্যা করছে।কেউ প্রেমিকার জন্য অন্য ছেলের সাথে ঝামেলায় তাকে হত্যা করছে।কেউ করছে ধর্ষণ এবং সাথে খুন।এসব প্রতিনিয়ত হয়ে আসছে।
নিজেকে বদলান নিজের মন অমানুষিকতা বদলায়। ন্যায় অন্যায়ের ফারাক বুঝতে চেষ্টা করুন।ভালোবাসা কি সেটা বুঝুন।তবেই সমাজের পরিবর্তন আসবে।
কারো খারাপ লেগে থাকলে ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।নিজের কিছু কথা লিখলাম।কাউকে আঘাত দেওয়ার জন্য উদ্দেশ্য নয়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here